Red Hat Linux Training

Linux Interview Question 3Red Hat Linux Training

1.What is linux ?

Linux is an operating system based on UNIX and was first introduced by Linus Torvalds. It is based on the Linux Kernel and can run on different hardware platforms manufactured by Intel, MIPS, HP, IBM, SPARC, and Motorola. Another popular element in Linux is its mascot, a penguin figure named Tux.

কম্পিউটার নেটওয়ার্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ বা কম্পোনেন্ট হচ্ছে নেটওয়ার্ক মিডিয়া। একটি ডিভাইসকে আরেকটি ডিভাইসের সাথে যুক্ত করার জন্য নেটওয়ার্ক মিডিয়া ব্যবহার করা হয়। লোকেশন, ব্যান্ডউইথ, স্পীড, দাম, দুরত্ব, রোমিং সুবিধা অনুযায়ী বর্তমানে তিন ধরণের মিডিয়া ব্যবহার করা হয়। যেমনঃ

  • Copper মিডিয়া
    • UTP (Unshielded Twisted Pair)
    • STP (Shield Twisted Pair) 

  • Wireless মিডিয়া
    • 802.11a
    • 802.11b
    • 802.11g
    • 802.11n
    • 802.11ac
    • 802.11ad
    • 802.11ax
  • Optical Fiber মিডিয়া
    • Single Mode Fiber ক্যাবল
    • Multi Mode Fiber ক্যাবল 

Figure: Single Mode vs Multi Mode Fiber

3. What do you mean by a Node?

The point of intersection in a network is called a Node. Nodes can send or receive data/ information within a network. For example, if two computers are connected to form a network, there are 2 nodes in that network. Similarly, in case there are computers, there will be three nodes and so on. It is not necessary for a node to be a computer, it can be any communicating device such as a printer, servers, modems, etc.

 

4. Client Server Architecture বলতে কি বুঝি?

সাধারণত দুই ধরনের নেটওয়ার্কিং মডেল বা আর্কিটেকচার হয়ে থাকে, 1) Peer to Peer আর্কিটেকচার এবং Client-Server আর্কিটেকচার। ক্লায়েন্ট-সার্ভার আর্কিটেকচারে সার্ভার কম্পিউটার বিভিন্ন ধরণের সার্ভিস (মেইল, ওয়েভ, ফাইল) দিয়ে থাকে এবং এই সকল সার্ভিস চালানোর জন্য বিশেষ সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়। পাশাপাশি অনেক সময় সার্ভার কম্পিউটার গুলাতে সার্ভার ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম (Windows Server, Linux, UNIX) ব্যবহার করা হয়। অপরদিকে ক্লায়েন্ট বা ইউজার সার্ভার থেকে প্রদত্ত বিভিন্ন সার্ভিস ব্যবহার করে থাকে। নিচের উদাহরনে তিনটি সার্ভার দেখানো হয়েছে এবং তাদের জন্য আলাদা আলাদা ক্লায়েন্ট দেখানো হয়েছে। যে সার্ভার যে ধরণের সার্ভিস দিয়ে থাকে, ক্লায়েন্ট সেই সার্ভিস পেতে ক্লায়েন্ট সাইডে সেই ধরণের অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে হবে।   

Figure: Client-Server Architecture 

5. PDU কি এবং কি কাজে ব্যবহার হয়?

যখন ডেটা প্যাকেট OSI মডেলের এক লেয়ার থেকে প্রেসেস হয়ে অন্য লেয়ারে যায়, তখন এটাকে বলা ‘Encapsulation’ এবং ‘De-encapsulation’ পদ্ধতি। উপরের ‘Application’ লেয়ার হতে নিচের লেয়ারের দিকে অতিক্রম করলে বলা হয় ‘Encapsulation’ এবং নিচের লেয়ার ‘Physical’ থেকে উপরের লেয়ারে উঠলে বলা হয় ‘De-encapsulation’ পদ্ধতি। আর ডেটা যখন এক লেয়ার থেকে অন্য লেয়ারে অতিক্রম করে তখন প্রত্যেক লেয়ার থেকে কিছু Header (Protocol, Information) যোগ হয় বা বাদ যায়। PDU বা Protocol Data Unit হচ্ছে প্রতিটি লেয়ার হতে প্রসেসকৃত ডেটা ফরম্যাট, যেমনঃ উপরের তিনটি লেয়ারে (Application + Presentation + Session) বিভিন্ন ফরম্যাটের (Text, Audio, Video, Graphics) ডেটা যখন Transport লেয়ারে প্রবেশ করবে, তখন উপরের লেয়ারের প্রসেসকৃত PDU কে বলা হয় ‘Data’, আবার যখন Transport লেয়ার থেকে কিছু Header যোগ হয়ে Network লেয়ারে প্রবেশ করবে, তখন Transport লেয়ারের PDU কে বলা হয় Segment এভাবে প্রতিটি লেয়ারের আলাদা আলাদা PDU আছে। নিচে প্রতিটি লেয়ার থেকে প্রসেসকৃত ডাটার PDU এর নাম দেওয়া হয়েছে।  

  • Upper Layer PDU Name – Data
  • Transport Layer PDU – Segment/Datagram
  • Network Layer PDU – Packet
  • Data Link Layer PDU – Frame 
  • Physical Layer PDU – Bits

নোটঃ যখন Transport লেয়ার Header হিসেবে TCP কাজ করে তখন PDU কে Segment বলে, আর যখন  UDP হিসেবে কাজ করে তখন এটাকে বলা হয় ‘Datagram’

Figure: PDU of Each OSI Layer

6. What is LAN?

LAN বা Local Area Network হচ্ছে ছোট একটা এরিয়ার মধ্যে কিছু নেটওয়ার্কিং ডিভাইস একত্রে সংযুক্ত থাকে। যেমনঃ বাসা-বাড়িতে, ছোট অফিস, স্কুল বা একটি বিল্ডিংয়ের মধ্যে। LAN কে অনেক সময় Intranet -ও বলা হয়ে থাকে। ফাইল/ফোল্ডার, প্রিন্টার, রিসোর্স শেয়ারিং এর জন্য LAN নেটওয়ার্ক ব্যবহার হয় এবং নেটওয়ার্কের ডিভাইস সমূহ যেহেতু একই নেটওয়ার্কে সংযুক্ত থাকে, সুতরাং এখানে ডিভাইস থেকে ডিভাইসে উচ্চ গতিতে ডাটা ট্রান্সফার হয়। একটি LAN তৈরি করতে গেলে মাত্র তিন ধরনের কম্পোনেন্ট হলেই করা যাবে। নিচে LAN ডিভাইসের লিস্ট দেওয়া হয়েছেঃ

  • Network Devices (PC, Laptop, IP Phone, Network Printer)
  • Network Media (Cable + Connector) 
  • Network Switch (Ethernet Port)

একটি LAN মানে একটি নেটওয়ার্ক এবং LAN তৈরি করতে রাউটারের প্রয়োজন নেই। রাউটার শুধু ব্যবহার হয়, যখন একটি নেটওয়ার্ক থেকে কোনো রিকুয়েস্ট অন্য নেটওয়ার্কে যাবে। নিচে LAN এর নেটওয়ার্ক এর ডায়াগ্রাম দেওয়া হয়েছে। 

Figure: Local Area Network (LAN)

7. What are Routers?

রাউটার একটি Layer 3 ডিভাইস যেটা OSI মডেলের নেটওয়ার্ক লেয়ারে কাজ করে। রাউটার হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার দুই ভাবেই কাজ করে। কোন ডিভাইস কে রাউটার হতে হলে, তার মিনিমাম দুইটি পোর্ট থাকতে হবে। রাউটার এর এক একটি পোর্টকে বলা হয় Broadcast Domain এবং রাউটারের এক একটি পোর্ট এক একটি নেটওয়ার্ক নির্দেশ করে। দুইটি নেটওয়ার্ক এর মাঝে কমিউনিকেশন করার জন্য রাউটার ব্যবহার করা হয়।   

CCNA Training

Figure: Router Hardware 

8. What is a Point-to-Point Network?

পয়েন্ট টু পয়েন্ট (Point to Point) নেটওয়ার্ক হচ্ছে, নেটওয়ার্কে দুইটি ডিভাইস বা নোডের মধ্যে সরাসরি কানেকশন। নেটওয়ার্ক ডিভাইস হিসেবে পিসি, সার্ভার, প্রিন্টার, সিসি ক্যামেরা, রাউটার হতে পারে। 

Figure: Point to Point Connection

উদাহরণ স্বরূপ উপরের ডায়াগ্রামে প্রতিটি ডিভাইসে একে অপরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত আছে। Device 1 আছে Device 2 এর সাথে, আবার Device 2 আছে Device 3 এর সাথে, পুনরায় Device 3 আছে Device 1 এর সাথে, অর্থাৎ প্রতিটি ডিভাইস পয়েন্ট টু পয়েন্ট (Point to Point) সুংযুক্ত। 

9. What is OSI Model?

OSI এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Open Systems Interconnection. নেটওয়ার্কে যখন এক ডিভাইস থেকে আরেক ডিভাইসের মধ্যে যোগাযোগ হয়, তখন OSI মডেলের প্রতিটি লেয়ার পার হতে হয়। OSI মডেলে মোট সাত (০৭) টি লেয়ার থাকে এবং তিনটি (০৩) ভাবে বিভক্ত। উপরের তিনটি (০৩) লেয়ারকে বলা হয় সফটওয়্যার লেয়ার, নিচের তিনটি (০৩) লেয়ার কে বলা হয় হার্ডওয়্যার লেয়ার, আর মাঝের লেয়ার কে বলা হয় কোর (Core) লেয়ার। নেটওয়ার্কে আমরা যত অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করি তার সবই ব্যবহার হয় উপরের তিনটি লেয়ারে (Application), আর নেটওয়ার্কে যত হার্ডওয়্যার (Router, Switch, Firewall) ব্যবহার করা হয়, তার সবই নিচের তিনটি (০৩) লেয়ারে ব্যবহার করা হয়, আর সফটওয়্যার লেয়ার এবং হার্ডওয়্যার লেয়ারের মাঝে ইন্টারফেসিং করে ট্রান্সপোর্ট লেয়ার।এইজন্য ট্রান্সপোর্ট লেয়ারকে Core লেয়ার বলা হয়। নিচে OSI মডেলের লেয়ার গুলার নাম দেয়া হয়েছে। 

  1. Physical Layer
  2. Data Link Layer
  3. Network Layer
  4. Transport Layer
  5. Session Layer
  6. Presentation Layer
  7. Application Layer

10. What is Ethernet Technology?

Ethernet এবং Wireless LANs (WLAN) হচ্ছে সচরাচর ব্যবহৃত দুই ধরণের LAN টেকনোলজি। WLAN ব্যবহার হয় রেডিও সিগন্যাল বা ফ্রিকুয়েন্সির (Frequency) মাধ্যমে, আর Ethernet ব্যবহার হয় কপার ক্যাবল (UTP এবং Coaxial) এবং অপটিক্যাল ফাইবারের মাধ্যমে। Ethernet টেকনোলজি OSI মডেলের Physical এবং Data Link এই দুই লেয়ারের সমন্বয়ে কাজ করে। 

  • 10 Mbps (10BaseT) 
  • 100 Mbps (Fast Ethernet) 
  • 1000 Mbps (1 Gbps)
  • 10,000 Mbps (10 Gbps)
  • 40,000 Mbps (40 Gbps)
  • 100,000 Mbps (100 Gbps)

নিচের চিত্রে OSI মডলের Physical এবং Data Link লেয়ারে Ethernet এর অবস্থান দেখানো হয়েছে। 

Figure: Ethernet in OSI Model 

11. Network Protocol কি এবং কেন ব্যবহার হয়?

একটি নেটওয়ার্কে দুই মাথায় দুইটি ডভাইস (Node) বসিয়ে এবং ক্যাবল বা ওয়্যারলেস (Wi-Fi) দিয়ে সংযোগ করলেই কিন্ত ডিভাইস থেকে ডিভাইস যোগাযোগ (Communication) করবে না। মানুষ হিসেবে আমরা যেমন একে অপরের সাথে ভাবের আদান প্রদান করতে বিভিন্ন ধরণের প্রটোকল বা নিয়মনীতি (ভাষা, সৌজন্যবোধ) মেনে না চলি, যেমনঃ একজন যদি বাংলা ভাষায় কথা বলে আরেক জন যদি স্প্যানিশ ভাষায় কথা বলে তাইলে কেউ  কারও ভাষা বুঝবে না, আবার কথা বলার সময় যদি ভাষার ব্যবহার (Grammar) যদি ঠিকমত না হয়, সেক্ষেত্রে ভাবের আদান প্রদান সম্ভব না। তেমনি ডিভাইস থেকে ডিভাইস সংযোগ এবং ডাটা ট্রান্সফারের মূল বিষয় হচ্ছে নেটওয়ার্কিং প্রটোকল। সুতরাং নেটওয়ার্কিং প্রটোকল হচ্ছে একটি বিশেষ ধরণের ল্যাংগুয়েজ, যা দুইটি ডিভাইসের মধ্যে একই না হলে সেখানে কোন প্রকার যোগাযোগ (Communication) হবে না। উদাহরণ স্বরূপ, বর্তমানে আমাদের নেটওয়ার্কের সকল ডিভাইস TCP/IP প্রটোকল সাপোর্ট করে, সুতরাং আমাদের এক মাথার ডিভাইসে যদি TCIP/IP ব্যবহার করি এবং অন্য মাথার ডিভাইসে যদি TCP/IP বাদে অন্য প্রটোকল ব্যবহার করি তাহলে কাজ করবে না। 

Figure: Network Protocol Features

12. Subnet Mask কি এবং কি কাজে লাগে?

যখন কোনও সিস্টেমে আইপি (IPv4) অ্যাড্রেস বসানো হয়, তখন আইপি (IPv4) অ্যাড্রেসের পাশাপাশি আরেকটি তথ্য দিতে হয়, সেটা হচ্ছে নেট মাস্ক বা সাব-নেট মাস্ক এবং এটা বাধ্যতামূলক ভাবে দিতেই হয়। তবে, আমরা নিজে না দিলেও সিস্টেম নিজে থেকেই একটা সাবনেট মাস্ক বসিয়ে নেয়। সাধারণত আইপি ক্লাসের উপরে ভিত্তি করে ডিফল্ট সাবনেট মাস্ক বসে। নিচে আইপি ভার্সন ৪ (IPv4) এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ডিফল্ট সাবনেট মাস্ক দেওয়া হয়েছে। 

  • ক্লাস A = 255.0.0.0
  • ক্লাস B = 255.255.0.0
  • ক্লাস C = 255.255.255.0

তবে, বড় ধরনের বা ম্যানেজ নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রে কাস্টম সাবনেট মাস্ক ব্যবহার করা হয়। যদিও আইপি অ্যাড্রেসের (IPv4) উপরে ভিত্তি করে আমাদের সিস্টেম উপরের ডিফল্ট সাবনেট মাস্ক নিয়ে নেয়। সাবনেট মাস্ক ব্যবহার করে আইপি অ্যাড্রেস (IPv4) থেকে যেসব তথ্য বের করা যায় সেইগুলা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। 

  • নেটওয়ার্ক আইডি বের করার জন্য।
  • নেটওয়ার্কে হোস্ট সংখ্যা জানার জন্য। 
  • নেটওয়ার্ক বিট এবং হোস্ট বিট জানার জন্য।
  • নেটওয়ার্কের ১ম আইপি, শেষের আইপি, ব্রডকাস্ট অ্যাড্রেস বেড় করার জন্য। 
  • নেটওয়ার্কের সাইজ ছোট এবং বড় করার জন্য। 

13. TCP/IP কি এবং কি কাজে লাগে?

TCP/IP হচ্ছে একটা প্রটোকল সুইট যেটা OSI Model এর লেয়ার ৪ এবং লেয়ার ৩ মিলে কাজ করে। TCP-Transmission Control Protocol এবং IP (Internet Protocol)। মডার্ন ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক ৯৯% কমিউনিকেশন TCP/IP মাধ্যমে হয়ে থাকে। TCP/IP হচ্ছে নেটওয়ার্ক –এ ডিভাইসের মধ্যে কমিউকেশন প্রটোকল অর্থাৎ দুইটি ডিভাইসের প্রোটকল একই না হলে কমিউনিকেশন হবে না। TCP/IP হচ্ছে নেটওয়ার্ক এর প্রতিটি ডিভাইসের কমিউনেকেশন ল্যাঙ্গুয়েজ। সুতরাং TCP/IP একই না হলে কাজ করবে না। TCP/IP কমিউনিকেশনের জন্য লেয়ার ৪ থেকে TCP/UDP বাছাই করে এবং Network লেয়ার থেকে IP/IPv6 সিলেক্ট করে। TCP/IP এর মত আরও প্রটোকল আছে যেমনঃ IPX/SPX, AppleTalk, NetBUI. 

14. IPv4 Address Classes

নেটওয়ার্কিং -এ বিভিন্ন ক্লাসের আইপি অ্যাড্রেস (IPv4) ব্যবহার হয়ে থাকে। যদিও নেটওয়ার্কিং এর ক্ষেত্রে আইপি অ্যাড্রেসের (IPv4) ক্লাস অতটা গুরুত্বপূর্ণ না, তবে বিভিন্ন ডকুমেন্টেশন এবং সহজ ভাবে আইপি অ্যাড্রেস (IPv4) পাঠ করা বা মনে রাখার জন্য আইপি অ্যাড্রেসের ক্লাস সম্পর্কিত বিষয় সমূহ আয়ত্ব করা উচিৎ।   

১৯৮১ সালে আইপি অ্যাড্রেস (IPv4) ব্যবহার শুরু হয় যেটাকে ক্লাসফুল (Classful) অ্যাড্রেস বলা হয় এবং কাস্টমার সাইডে ব্যবহারের জন্য Class A, Class B এবং Class C নির্ধারিত হয়। নিচে আইপি অ্যাড্রেসের (IPv4) ক্লাস সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। 

  • Class A (0.0.0.0 – 127.0.0.0)                  – বড় সাইজের নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। 
  • Class B (128.0.0.0 – 191.255.0.0)         – মাঝারি সাইজের নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। 
  • Class C (192.0.0.0 – 223.255.255.0)   – ছোট সাইজের নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। 
  • Class D (224.0.0.0 – 239.0.0.0)             – মাল্টিকাস্ট অ্যাপ্লিকেশনে ব্যবহার হয়ে থাকে।
  • Class E (240.0.0.0 – 255.0.0.0)             – সংরক্ষিত রাখা হয়ে গবেষণার জন্য। 
আইপি অ্যাড্রেস (IPv4) ৩২ বিটের এবং চারটি (০৪) পার্টে হয়ে থাকে। এক একটি পার্টকে বলা হয় অক্টেট (Octet) অর্থাৎ এক এক পার্টে আট (০৮) টি করে বিট থাকে এবং ৮ বিটের ডেসিমেল (Decimal) ভ্যালু ‘২৫৬’। আইপি অ্যাড্রেসের (IPv4) ক্লাস বা শ্রেণি বোঝার জন্য শুধু প্রথম অক্টেটে (1st Octet) খেয়াল করতে হবে অর্থাৎ প্রথম অক্টেটের (1st Octet) সংখ্যা যদি উপরে উল্লেখিত রেঞ্জের মধ্যে পড়ে তাহলে সেই ক্লাসের আইপি (IPv4), বাকি সকল অক্টেটের (Octet) সংখ্যা ‘০’ থেকে ‘২৫৫’ পর্যন্ত হতে পারে।  
 
 

Figure: IPv4 Address Classes 

উপরে পাঁচটি (০৫) ক্লাসের আইপি অ্যাড্রেস (IPv4) উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে Class A, Class B এবং Class C ব্যবহার হয় কাস্টমার সাইডে অর্থাৎ আমাদের ইন্টারনাল নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেট নেটওয়ার্কে। অপরদিকে Class D ব্যবহার হয় মাল্টিকাস্ট অ্যাপ্লিকেশনের ক্ষেত্রে যেটা বিভিন্ন রাউটিং প্রটোকল (RIP, EIGRP, OSPF) এবং কিছু মাল্টিকাস্ট অ্যাপ্লিকেশনে ব্যবহার হয়ে থাকে। Class E অ্যাড্রেসের তেমন কোনও ব্যবহার নেই, রিসার্চ (Experimental) হিসেবে ব্যবহার করা হয়।  

15. What is the maximum length allowed for a UTP cable?

The maximum length allowed for a UTP cable is 100m. This includes 90 m of solid cabling and 10m of standard patch cable.

16. Port Address, Host Address, and MAC Address বলতে কি বুঝি?

যখন ক্লায়েন্ট এবং সার্ভারের মাঝে যোগাযোগ শুরু হয়, তখন প্রথমে যে বিষয়টি কাজ করে সেটা হচ্ছে বিভিন্ন ধরণের অ্যাপ্লিকেশন লেয়ার প্রটোকল (FTP, HTTP, SSH, DHCP, SMTP)। প্রটোকল সিলেক্ট হওয়ার পরে যখন কোনো ক্লায়েন্ট সার্ভারের কাছে কোনো ডাটা বা সার্ভিস রিকুয়েস্ট করে অথবা সার্ভার যখন কোনও ক্লায়েন্টকে রিকুয়েস্টের বিপরীতে কোনও ডাটা বা সার্ভিস প্রদান করে, তখন যেটা দরকার হয় সেটা হচ্ছে OSI মডেলের বিভিন্ন লেয়ার হতে প্রদত্ত অ্যাড্রেস সমূহ। যেমনঃ Transport লেয়ার ব্যবহার করে প্রটোকল অ্যাড্রেস, যেটা বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন বা সার্ভিস পোর্ট নাম্বার (80, 22, 21, 25) নিয়ন্ত্রণ করে, Network লেয়ার (L3) ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক অ্যাড্রেস, যেটা সোর্স (ক্লায়েন্ট) এবং ডেস্টিনেশন (সার্ভার) অ্যাড্রেস (Identity) নিয়ন্ত্রণ করে এবং সবশেষে Data Link লেয়ার ব্যবহার করে MAC অ্যাড্রেস, যেটা লোকাল নেটওয়ার্কের ডিভাইসের Data Frame নিয়ন্ত্রন করে। সুতরাং, এই তিন ধরণের অ্যাড্রেস (Port, Network, MAC) ছাড়া নেটওয়ার্কে ক্লায়েন্ট-সার্ভার মাঝে যোগাযোগ সম্ভব নহে। 

Figure: Three Addresses

17. What is NAT?

NAT এর সম্পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Network Address Translation, NAT মুলত ব্যবহার করা হয়, এক আইপি অ্যাড্রেস থেকে অন্য আইপি অ্যাড্রেসে রুপান্তর (Translate) করার জন্য। Layer 3 ডিভাইস দিয়ে NAT করা হয়, এক্ষেত্রে রাউটার/ফায়ারওয়াল/সার্ভার বেশি ব্যবহার করা হয়। যে ডিভাইস দিয়ে NAT করা হবে তার অবশ্যই দুইটি পোর্ট থাকতে হবে এবং দুইটি পোর্টে আলাদা আলাদা ব্লকের (Network) আইপি অ্যাড্রেস থাকতে হবে। নেটওয়ার্কে তিন (০৩) NAT টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়। 

1. Static NAT 

2. Dynamic NAT

3. NAT Overload (PAT) 

18. What is TCP?

TCP বা Transmission Control Protocol হচ্ছে কানেকশন ওরিয়েন্টেড (Connection-Oriented) প্রটোকল এবং এটা OSI মডেলের ট্রান্সপোর্ট লেয়ারে (Layer 4) কাজ করে। TCP প্রটোকলের মাধ্যমে ডাটা ট্রান্সফার করেলে ১০০%  নিশ্চিত ভাবে ডাটা ট্রান্সফার সম্ভব। এছাড়া TCP প্রটোকলের মাধ্যমে যখন ডাটা ট্রান্সফার বা যোগাযোগ শুরু হয়, প্রথমে আগে কানেকশন তৈরি (Stablish) করা হয়, তারপর ডাটা ট্রান্সফার শুরু হয়। HTTP, FTP, SSH, Telnet, SMTP, POP3 ইত্যাদি TCP ভিত্তিক প্রটোকল।  

19. Give a brief explanation about UDP?

UDP or the User Datagram Protocol is used to create a low-latency and loss-tolerating communications between applications connected over the internet. UDP enables process-to-process communication and communicates via datagrams or messages.

20. What is RIP?

RIP এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Routing Information Protocol, RIP একটি ডাইনামিক রাউটিং প্রটোকল এবং এটি একটি Distance Vector রাউটিং প্রটোকল। রাউটিং প্রটোকল মেট্রিক হিসেবে RIP ব্যবহার করে হোপ কাউন্ট (Hop Count) এবং RIP সর্বোচ্চ ১৫ টি হোপ (Hop) পর্যন্ত কাজ করতে পারে। RIP রাউটিং প্রটোকল এর দুইটি ভার্সন আছে RIPv1 এবং RIPv2 কিছু সমস্যা কারণে RIPv1 এখন আর ব্যবহার করা হয় না। তবে, বর্তমানে RIPv2 এর ব্যবহারও নাই বললেই চলে। RIP এর AD (Administrative Distance) ভ্যালু ১২০ এবং মাল্টিকাস্ট অ্যাড্রেস 224.0.0.9 ব্যবহার করা হয়। RIP এর সবচেয়ে বড় সমস্যা RIP সর্বোচ্চ ১৬ টা রাউটার (15 Hop) নিয়ে নেটওয়ার্কে কাজ করতে পারে। অর্থাৎ নেটওয়ার্কে রাউটার সংখ্যা ১৬ এর বেশি হলে RIP প্রটোকল তার ডেস্টিনেশনে পৌছাতে (reach) পারে না। 

21. Explain what is a firewall?

A firewall is a network security system which is used to monitor and control the network traffic based on some predefined rules. Firewalls are the first line of defense and establish barriers between the internal and external networks in order to avoid attack from untrusted external networks. Firewalls can be either hardware, software or sometimes both.

 

22. What is Networking Operating System (NOS)?

Network Operating System বা NOS এক ধরনের বিশেষ সিস্টেম সফটওয়্যার ফিচার যেটা উইন্ডোজ, লিনাক্স, ম্যাক, ইউনিক্স সহ বর্তমান সময়ের সকল মডার্ন অপারেটিং সিস্টেমের সাথে যুক্ত থাকে। NOS এর মূল জিনিস হচ্ছে TCP/IP প্রটোকল এবং নেটওয়ার্কিং ভিত্তিক অ্যাপ্লিকেশন বা সার্ভিস। যে অপারেটিং সিস্টেমে TCP/IP ফ্যাসিলিটি আছে সেটাকে নির্দ্বিধায় NOS বলা যেতে পারে। NOS ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম হলে, সেখানে বিভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্কিং প্রটোকল, নেটওয়ার্কিং সার্ভিস, ওয়েভ সার্ভিস, মেইল সার্ভিস, অথেন্টিকেশন সার্ভিস কাজ করবে। অপর দিকে অপারেটিং সিস্টেম (OS) যদি শুধু মাল্টিমিডিয়া, মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম, ডিস্ট্রিবিউটেড অপারেটিং সিস্টেম, ওয়ার্ড প্রসেসিং বা এন্টারটেইনমেন্টের জন্য ব্যবহার করা হলে সেটা কে NOS বলা যাবে না। 

Figure: Types of Operating System 

23. What is Loopback Address?

নেটওয়ার্কে যে কোন ডিভাইসের মাঝে থাকে Loopback অ্যাড্রেস বা Localhost অ্যাড্রেস। IPv4 এর ক্ষেত্রে Loopback অ্যাড্রেস হিসেবে ব্যবহার হয় 127.0.0.0/8 এবং IPv6 এর ক্ষেত্রে ব্যবহার হয় ::1/128 অ্যাড্রেস। নেটওয়ার্কের প্রতিটি ডিভাইসে TCP/IP প্রটোকল ঠিকঠাক ভাবে কাজ করছে কিনা সেটা Loopback অ্যাড্রেস টেস্টিং এর মাধ্যমে বোঝা যায়। আমাদের লিনাক্স বা উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে ‘ping 127.0.0.1’ বা ‘ping ::1’ দিয়ে IPv4 এবং IPv6 এর Loopback অ্যাড্রেস চেক করা যেতে পারে। 

24. What is Round Trip Time?

Round Trip Time বা RTT কথাটি ping কমান্ডের ক্ষেত্রে ব্যবহার কর হয়। যখন কোন সোর্স (Source) থেকে ডেস্টিনেশন (Destination) ডিভাইসে ping করা হয়, তখন আমাদের টার্মিনালে Time=ms (Milliseconds) এর একটি আউটপুট আসে, এটাই RTT 

25. What is DHCP?

DHCP এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Dynamic Host Configuration Protocol, DHCP একটি অ্যাপ্লিকেশন বা সার্ভিস হিসেবে ব্যবহার করা হয়। DHCP ক্লায়েন্ট-সার্ভার পদ্ধতিতে কাজ করে এবং DHCP সার্ভার ব্যবহারের মাধ্যমে নেটওয়ার্কে বিভিন্ন ক্লায়েন্টের (PC, IP Phone, CC Camera, Network Printer, IOT Device) মাঝে আইপি (IP), সাবনেট মাস্ক (Subnet Mask), গেটওয়ে (Gateway), DNS সার্ভার অ্যাড্রেস প্রদান করা হয়। DHCP প্রটোকলটি OSI লেয়ারের Application লেয়ারে (Layer 7) কাজ করে। DHCP একটি UDP টাইপের প্রটোকল যার পোর্ট নাম্বার 67 (সার্ভার) এবং 68 (ক্লায়েন্ট)